প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে দ্বীপজেলা ভোলায় ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিন উপদেষ্টা। তারা হলেন— বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে উপদেষ্টারা প্রথমে ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ফেরিঘাট-সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতীরের একটি স্থান পরিদর্শন করেন। পরে তারা বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের আরেকটি সম্ভাব্য স্থানেও যান।
‘নতুন জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা’
স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন—
“আমরা দুটি জায়গা পরিদর্শন করেছি। এর মধ্যে যেটি ফিজিবল হবে সেটিই বেছে নেওয়া হবে। আমরা চাই, নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণ না করতে হয়। বিভিন্ন জেলায় খাস জমি আছে—সেগুলো ব্যবহার করার সুযোগ আছে কি না, তা যাচাই করতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন—
“যেখানে দেশে অনেক জায়গায় গ্যাস সংকট চলছে, সেখানে ভোলায় প্রচুর গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এই গ্যাসকে দেশের কাজে লাগাতে পারি। গ্যাস ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আমরা এসেছি।”
ভোলায় গ্যাসের বিরাট সম্ভাবনা
এর আগে তারা বোরহানউদ্দিন উপজেলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের তথ্যমতে, ভোলা জেলার বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে মজুদ রয়েছে প্রায় ২.২৪ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট (টিসিএফ) গ্যাস—যা দেশের জ্বালানি খাতে বড় সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
পরিদর্শনকালে উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভোলার জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান, এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




